লেখক

মারুফ রহমান

ব্রাউজ করুন

মানুষ সহজেই যেকোনো বস্তু দেখে বলতে পারে। কিন্তু কম্পিউটার তা পারে না। কারণ মেশিন মানুষের মস্তিষ্কের মত বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন নয়। তাই কম্পিউটারকে বিভিন্ন ধরনের বিষয় ও অভিজ্ঞতা শিখানোর পদ্ধতিকেই বলা হয় “মেশিন লার্নিং”। মেশিন লার্নিং মেশিন লার্নিং- এমন একটা পদ্ধতি যার মাধ্যমে কম্পিউটার কোন ধরনের নির্দিষ্ট প্রোগ্রামিং ছাড়া নিজে নিজে শিখতে পারে। যত বেশি ডাটা (তথ্য) মেশিন লার্নিং-এলগোরিদমকে দেয়া যাবে, ততটাই নির্ভুল ফলাফল আমরা আশা করতে পারি। মেশিন লার্নিং কিভাবে কাজ করে? মেশিন লার্নিং-এলগোরিদম কে ট্রেইন…

ইন্টারনেটে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠা বিটকয়েন ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো নামের ছদ্মবেশ ধারী একজন বা হতে পারে একদল প্রোগ্রামারের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। বর্তমানে অর্থনৈতিক বিনিয়োগে বিটকয়েন অনেক জনপ্রিয়। তাইতো আলোচিত ডিজিটাল এই মুদ্রায় বিনিয়োগে এখন এগিয়ে আসছে প্রায় সকল স্থরের বিনিয়োগকারী। এজন্যই সবার মনে এখন বড় প্রশ্ন – বিটকয়েন কি? তবে বিটকয়েন সম্পর্কে জানার আগে, প্রথমে ক্রিপ্টোকারেন্সি কি এবং কীভাবে কাজ করে তা জানা আবশ্যক: ক্রিপ্টোকারেন্সিকে মূলত ডিজিটাল এবং ভার্চুয়াল লেনদেন ব্যবস্থার মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করা…

যেকোনো স্মার্ট ডিভাইস চলার জন্য সিস্টেম সফটওয়্যার এর প্রয়োজন হয়। সিস্টেম সফটওয়্যার হচ্ছে এমন কিছু যা পুরো ডিভাইসের সবরকম কাজ পরিচালনা করবে। সাধারণত এই ধরণের সফটওয়্যারকে ‘অপারেটিং সিস্টেম’ বলা হয়। যার মধ্যে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বেশী পরিচিত ও প্রচলিত একটি অপারেটিং সিস্টেম। সাধারণত উইন্ডোজ – কম্পিউটার ও ল্যাপটপে বেশী ব্যবহৃত হয়, তবে মোবাইলেও এর অল্প পরিচিত রয়েছে। বর্তমানে মোবাইল প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হল – এন্ড্রয়েড। যার সত্ত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান হল গুগল, যা আমরা…

আমাদের আগের প্রকাশিত লেখা ডিজিটাল মুদ্রার অপর নাম ‘বিটকয়েন’- থেকে আশাকরি ডিজিটাল মুদ্রা সম্পর্কে কিছু ধারণা পেয়েছেন। অনেক ধরনের ডিজিটাল মুদ্রা আমরা দেখতে পাই বর্তমানে, এদের প্রত্যেকেরই কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে। চলুন আজ জেনে নেই এমনি পরিচিত কিছু ডিজিটাল মুদ্রা সমন্ধে। Zcash (জেডক্যাশ) – জেডক্যাশ ও বিট কয়েন এর তুলনাটা অনেকটা HTTP vs HTTPS এর মতো। এক্ষেত্রে, জেডক্যাশ হল HTTPS। বিটকয়েন এর তুলনায় জেড ক্যাশ এ নিরাপত্তার বিষয়টি অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। জেডক্যাশ দাবি করে যে…

Rust এর জন্ম ২০০৯ সালে মজিলার একটি রিসার্চ প্রজেক্ট হিসেবে। ২০০৯ এ তারা চিন্তা করছিল কিভাবে একটি উন্নত ব্রাউজার ডেভেলপ করা যায়। মূল টার্গেট ছিল প্যারালাল অার্কিটেকচার এবং উন্নত পারফরমেন্স। C++ দিয়ে যা অনেকাংশে করা গেলেও তাতে কিছু দূর্বলতা ছিল। এই দূর্বলতাগুলো কাটিয়ে উঠার জন্য তারা নতুন একটি প্রোগ্রামিং ভাষা ডেভেলপ করার চিন্তাভাবনা করে যার ফসল অাজকের Rust! কি, কেনো ও অন্যান্য – Rust হচ্ছে মূলত সিস্টেম প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। এটি দেখতে অনেকটা C/C++ এর মতো…